Views: 0

নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুরের বোর্ডবাজার শাখা অগ্রণী ব্যাংক ম্যানেজার কামাল উদ্দিন আহমেদ’র বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮আগস্ট) সন্ধ্যায় এ সংবর্ধ্বনা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় অঝোরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বিদায় জানাতে লাইন ধরে তাকে ফুলের মালা গলে পড়িয়ে বিদায় জানান সেবাগ্রহীতারা। অনেকেই উপহার তুলে দেন কর্মকর্তার হাতে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হয়ে বক্তব্য দেন, সুবিধা বঞ্চিত একজন দুঃখিনী মা শহরবানু, বিশেষ অতিথী করা হয় একজন অসহায় দুস্থ সহায় সম্বলহীন বৃদ্ধা নারীকে। কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন’র উদার মানসিকতার ফলে বিদায়ানুষ্ঠানে অশ্রুশিক্ত নয়নে তারা উভয়ে বিদায়ী কর্তার সাফল্য কামনা করে দোয়া করেন।
এতে অংশ নেন বোর্ডবাজার শাখা অগ্রণী ব্যাংকের গ্রাহক দুস্থ অসহায় শ্রেণীর মানুষ-সহ কর্মকর্তার শুভাকাঙ্খী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। এছারা বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণীর সেবাগ্রহীতারাও অংশ নিয়ে কর্মকর্তার দীর্ঘায়ু ও আগামীর কর্মস্থলের সাফল্য কামনা করেন।
গ্রাহক বলেন, “কামাল উদ্দিন নিজ খরচে দৈনন্দিন অসহায়দের নিয়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ করতেন। যেখানে সরকারি কর্তাব্যাক্তিরা বিলাসী জীবণযাপন করেন বিপরীতে কামাল উদ্দিন নিজ কার্যালয়ে দেয়া এসি বন্ধ করে রাখেন গ্রাহকদের লাইনে দাড়িয়ে সেবা গ্রহণের কষ্টের কথা ভেবে। তিনি সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে অসুস্থ কেউ লাইনে দাড়িয়ে সেবা গ্রহণ করতে দেখলে তিনাকে বিশেষ সেবা’র সুযোগ করে দিতেন।”
এছারা গ্রাহক বলেন, “কামাল উদ্দিন ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও কর্মজীবনে সফল একজন মানুষ। তার আগামীর কর্ম জীবণে এ বিদায়ী নির্দেশনায় সকল শ্রেণীপেশাদার সেবাগ্রহীতারা সফলতার সর্বোচ্চ চূরায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে অশ্রুশিক্ত নয়নে তার উদার মানসিকতার নানা উদাহরণের বর্ণনা দিয়ে বক্তব্য দেন।”
সবশেষে বিদায়ী বক্তব্যে ব্যাংক ম্যানেজার কামাল উদ্দিন নিজেও তার জীবণে সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণী পেশার মানুষদের জন্য কাজ করতে পারার আত্মতৃপ্তি’র নানা উদাহরণ তুলে ধরেন।
এসময় তিনি বলেন, “আমার সফলতার মধ্যে অন্যতম একজন সহায়সম্বলহীন মানুষের দুই কাঠা বাসস্থানের জমি ক্রয়ে সহায়তা করতে পারা। দু’জন দুঃখিনি মায়ের পাশে থাকতে পারাও ছিলো অন্যতম উল্লেখ করে সকলের দোয়া কামনা করেন এ কর্মকর্তা।”
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার নাইমুর রহমান, সিনিয়ার অফিসার রিপন মিয়া, ইকবাল মাহমুদ, রেজওয়ানা ইসলাম-সহ ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীরাও।