Views: 0

আসন্ন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে শিক্ষা কর্তৃপক্ষ। এবারের পরীক্ষায় বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, একটি মাদ্রাসা বোর্ড ও একটি কারিগরি বোর্ডসহ সর্বমোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। বোর্ড সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা মিলিয়ে প্রায় ২০ লক্ষের কাছাকাছি শিক্ষার্থী এই বিশাল শিক্ষা যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য ও মানসম্মত ফলাফল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করেছে। পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট রুটিন অনুসরণ করে নিয়মিত পাঠদান এবং পাঠ্যবইয়ের মূল বিষয়বস্তু গভীরভাবে অনুধাবন করার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার কৌশল রপ্ত করা এবং গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ভীতি দূর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রস্তুতির মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বিগত বছরের প্রশ্নপত্র সমাধানের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মানসিক প্রস্তুতির পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোনের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার থেকে বিরত থাকা শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা বৃদ্ধি করবে। পরীক্ষার হলে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় উপকরণ আগেভাগেই প্রস্তুত রাখা এবং নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক। একইসঙ্গে উত্তরপত্রে তথ্যের স্পষ্ট ও পরিষ্কার উপস্থাপনা ভালো নম্বর অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, কঠোর পরিশ্রম, অদম্য ধৈর্য ও নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম হবে।