একুশের মূল চেতনা ছিল জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা: প্রধানমন্ত্রী - Sotto Unmochon একুশের মূল চেতনা ছিল জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা: প্রধানমন্ত্রী - Sotto Unmochon
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং সত্যের সন্ধানে আমরা বড় করছি আমাদের পরিবার। আপনি কি একজন সাহসী, সৃজনশীল এবং উদ্যমী সংবাদকর্মী? দেশ ও মানুষের কথা বলতে আপনি কি আপোষহীন? তবে 'সত্য উন্মোচন'-এ আপনাকে স্বাগতম, আমরা নিম্নলিখিত পদে দক্ষ ও আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করছি: পদের নামসমূহ: ১. নিজস্ব প্রতিবেদক (Staff Reporter): (ঢাকা ও জেলা শহর) ২. জেলা/উপজেলা প্রতিনিধি: (সারাদেশে) যোগ্যতা ও দক্ষতা: শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক/ডিগ্রি পাস (অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য) অভিজ্ঞতা: অনলাইন নিউজ পোর্টালে কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দক্ষতা: * দ্রুত সংবাদ টাইপিং এবং শুদ্ধ বানানে লেখার ক্ষমতা। স্মার্টফোন ব্যবহার করে ভিডিও নিউজ ও ছবি সংগ্রহে পারদর্শী হতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান। আগ্রহী প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত (CV) এবং সাম্প্রতিক সময়ের একটি পাসপোর্ট সাইজ ছবিসহ নিম্নোক্ত ইমেইল ঠিকানায় আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।  sottounmochon75@gmail.om

একুশের মূল চেতনা ছিল জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা: প্রধানমন্ত্রী

ডেক্স রিপোর্ট / ৫২ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

Views: 2

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এই অমিয় চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের কণ্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই চলমান অগ্রযাত্রাকে সুসংহত ও টেকসই করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শুক্রবার মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।

বাণীতে তারেক রহমান মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের স্মরণ করেন, যাঁদের আ‘ত্মত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি জাতি তার মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল। ২১ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ সালের এই দিনে বরকত, সালাম, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকের র‘ক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ। তাঁদের এই বীরত্বগাথা তৎকালীন শোষিত পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান তৈরি করেছিল। মাতৃভাষার এই সংগ্রাম কেবল ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে মজবুত করেছে, যার চূড়ান্ত পরিণতিতে অর্জিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা।

তারেক রহমান বাংলা ভাষাকে বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মাতৃভাষার জন্য আমাদের এই অসামান্য ত্যাগের বিশ্বজনীন স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। একুশের চেতনা এখন বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মর্যাদা ও সুরক্ষার এক বৈশ্বিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। ভাষা শহীদদের আকাঙ্ক্ষা এবং ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪-এর স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ের স্পিরিটকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি দেশের ভাষা বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সর্বস্তরে বাংলার সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সকল ভাষা শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি দিবসের সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

আজকের তারিখ

  • বৃহস্পতিবার (রাত ২:১৮)
  • ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ২০শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
  • ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)

বাংলাদেশের বিভাগীয় নিউজ

আর্কাইভ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
PhotoCard Icon
Create PhotoCard