Views: 0

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিত্ব ও সক্রিয় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন। আসন্ন জাতিসংঘ ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল (UN ECOSOC) এর এনজিও বিষয়ক কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংস্থাটি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই অসামান্য স্বীকৃতি কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য নয়, বরং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের এক বলিষ্ঠ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) অধীনে পরিচালিত এনজিও বিষয়ক কমিটি অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি অঙ্গ। এই কমিটির মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় কোন সংগঠনগুলো জাতিসংঘের পরামর্শমূলক মর্যাদা বা ‘কনসালটেটিভ স্ট্যাটাস’ লাভ করবে। এই বিশেষ মর্যাদা প্রাপ্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নীতি নির্ধারণী সভায় বক্তব্য প্রদান, সুপারিশ পেশ এবং বৈশ্বিক ইভেন্ট আয়োজনের বিরল সুযোগ তৈরি হয়। অত্যন্ত স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক এই প্রক্রিয়ায় এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে শীর্ষস্থান অর্জন করা আসক ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ।
দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার রক্ষা, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন। বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় নাগরিক সমাজের কণ্ঠস্বরকে জোরালো করার অঙ্গীকারই তাদের আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর আন্তর্জাতিক কাঠামো গড়ে তুলতে তারা বদ্ধপরিকর এবং এই শীর্ষস্থান অর্জন সেই প্রচেষ্টারই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
আসক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, এই অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তারা আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের এই আইনি সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার অবস্থান সুসংহত হওয়ায় দেশের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক নাগরিক সমাজের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।