ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৯৭ গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন মেজর (অব.) মো. সফিউল্লাহ মিঠু। তিনি কাপাসিয়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম ডা. মো. ছানাউল্লাহর সুযোগ্য উত্তরসূরী।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার খিরাটী এলাকায় নিজ বাসভবনে মরহুম পিতার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই ‘ফুটবল’ প্রতীকের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী তার আনুষ্ঠানিক প্রচারণার শুভ সূচনা করেন। এর আগে দুপুরের পর থেকেই ঘাগটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সভাস্থলে সমবেত হতে থাকেন। এ সময় সমর্থকদের হাতে ফুটবল প্রতীকের পোস্টার ও ফুলের মালা দেখা যায়। বিকেল গড়াতেই সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রার্থীর বাড়ির আঙিনা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
উক্ত সভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সফিউল্লাহ মিঠু ছাড়াও বক্তব্য রাখেন তরগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবুল হাশেম এবং ঘাগটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্য প্রদানকালে মেজর (অব.) সফিউল্লাহ মিঠু বলেন, তিনি কোনো নির্দিষ্ট দলের হয়ে নয়, বরং কাপাসিয়ার আপামর জনসাধারণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। তিনি তার মরহুম পিতাকে স্মরণ করে বলেন, ডা. ছানাউল্লাহ যেভাবে মানুষের সেবক হিসেবে জীবন অতিবাহিত করেছেন, তিনিও ঠিক সেভাবেই জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান। সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ এবং বিশেষ করে সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে তিনি কঠোর সংকল্প ব্যক্ত করেন।
প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে এই স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেন, ভোটার বা সমর্থকদের কোনো প্রকার হুমকি-ধামকি দিয়ে তাকে দমানো যাবে না। তার কোনো কর্মীর জানমালের ক্ষতি করা হলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। ফুটবলকে গতির মার্কা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, তৃণমূল মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাপাসিয়াবাসী তাকেই বেছে নেবে। আলোচনা সভা শেষে তিনি পিতার কবর জিয়ারত করেন এবং এলাকাবাসীর দ্বারে দ্বারে যাওয়ার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের প্রচারণা শুরু করেন।