Views: 0

গাজীপুরের কালীগঞ্জে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যের পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রমসহ গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং অপর একটি ঘটনায় এক নারীর মৃ‘ত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে টঙ্গী–ঘোড়াশাল সড়কের উপজেলার নলছাটা এলাকায় এনা পরিবহনের একটি বেপরোয়া গতির বাসের চাপায় গুরুতর আহত হন পুলিশ কনস্টেবল মো. নাজমুল হোসেন (৩২)। তিনি কালীগঞ্জ থানায় কর্মরত এবং দীর্ঘ সময় ধরে পুলিশ ভ্যানের চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতভর টহল ডিউটি শেষে সকালে থানার ব্যারাকে ফিরে যান নাজমুল। পরবর্তীতে নিজের মানিব্যাগ খুঁজে না পাওয়ায় সেটি উ‘দ্ধারের উদ্দেশ্যে পুনরায় মোটরসাইকেল নিয়ে নলছাটা এলাকায় যান তিনি। এসময় দ্রুতগামী একটি বাস তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। সহকর্মীরা তাকে উ‘দ্ধার করে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকার রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের হাড় ভেঙে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানান, ঘাতক বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে রোববার (২২ মার্চ) রাতে একই সড়কের তুমুলিয়া ইউনিয়নের চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মোছাম্মৎ জুহুরা বেগম (৬০) নামে এক নারী নি‘হত হন। কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিয়াদুল ইসলাম জানান, নরসিংদী থেকে আসা একটি রিজার্ভ বাসে করে প্রায় ৪০ জন যাত্রী গাজীপুরের সাফারি পার্কে ভ্রমণে এসেছিলেন। দিনব্যাপী ভ্রমণ শেষে রাতে ফেরার পথে বাসটি তাইবা পেট্রোল পাম্প এলাকায় যাত্রাবিরতি করলে রাস্তা পারাপারের সময় একটি দ্রুতগামী সিএনজি জুহুরা বেগমকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ‘ত ঘোষণা করেন। নিহত জুহুরা বেগম নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার আমদিয়া বেলাইদ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।