রাজশাহী কারাগারে কারারক্ষীর নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, তদন্তের দাবি | sotto unmochon রাজশাহী কারাগারে কারারক্ষীর নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, তদন্তের দাবি | sotto unmochon
  • রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কথিত স্বা’মী-স্ত্রী’র দ্বন্দ্বে ঝরল যুবকের প্রা’ণ: গাছায় চা’ঞ্চ’ল্যকর হ’ত্যা’কা’ণ্ড মাদারীপুরে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ: সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন, রায় ঘিরে নানা আলোচনা বাউবির এমএসএস প্রোগ্রামে ইতিহাসে প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন গাজীপুরে আনসার-ভিডিপির আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন ও রিক্রুটিং লাইসেন্স প্রদান সালথায় যুবদলের মতবিনিময় সভা: মাদক নির্মূল ও আইনশৃ’ঙ্খলা উন্নতির অঙ্গীকার গাজীপুরে দুই প্রতিষ্ঠানে ভেজাল ও অবৈধ সিএনজি বেচাকেনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা টঙ্গী বাজার মন্দিরে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের নেতৃবৃন্দের শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় রাজশাহীতে আখচাষিদের জন্য ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর; সরাসরি অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে অর্থ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রাজশাহীতে ব্যাপক তৎপরতা; ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শনে ভূমিমন্ত্রী ঝুট ব্যবসা নিয়ে ওঠা অভিযোগের কড়া জবাব তুষারের; বললেন ‘রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা’

রাজশাহী কারাগারে কারারক্ষীর নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আবুল হাশেম রাজশাহী ব্যুরো / ৪০২ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দীদের জিম্মি করে অর্থ আদায় এবং নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের এক ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত ব্যাচ নম্বর ১৮৭২-এর সিনিয়র সহকারী কারারক্ষী রাসেল, যিনি কারাপ্রাঙ্গণে “সিআইডি রাসেল” নামে ত্রাস সৃ’ষ্টি করেছেন। চাহিদামতো টাকা না পেলেই বন্দীদের খাবার বন্ধ করে দেওয়া, বেধড়ক মারধর এবং অতিরিক্ত পরিশ্রমের কাজে ঠেলে দেওয়ার মতো নিপীড়ন চালাচ্ছেন তিনি।

​কারাগারের মূল নীতি “রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ”—বাস্তবে যার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র মিলছে বন্দীদের বর্ণনায়। পরিবারের কাছে গোপনে স্বজনদের পাঠানো আকুতিতে ফুটে উঠেছে এই কারারক্ষীর দৌরা’ত্ম্য। তুচ্ছ কারণে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ থেকে শুরু করে নিয়মিত অর্থ দাবি করাই তার নিত্যদিনের অভ্যাস। দাবি করা টাকা হাতে পেলেই কেবল সাময়িক মুক্তি মেলে, অন্যথায় নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন।

​কারাগারে বন্দি এক স্বজনের হাহাকার ভরা কণ্ঠে জানা যায়, ভেতরে তাদের প্রিয়জনেরা বিন্দুমাত্র শান্তিতে নেই। ওই কারারক্ষীর নিয়মিত অর্থ দাবির মুখে বাধ্য হয়ে ধার-দেনা করে টাকা পাঠাতে হচ্ছে তাদের। টাকা না পৌঁছালে শুরু হয় অনাহার, মারধর আর শারীরিক খাটাুনির ভয়ভীতি। এতে করে সাধারণ বন্দীদের মনে এক গভীর আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা চেপে বসেছে।

​আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা এই নজিরবিহীন ঘটনাকে মৌলিক মানবাধিকারের চরম ল’ঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। কারাবিধি অনুযায়ী প্রতিটি বন্দীর নিরাপত্তা ও মানবিক আচরণ পাওয়ার আইনি অধিকার রয়েছে। ঘটনাটির সু’ষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃ’ষ্টা’ন্তমূলক কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

​সামগ্রিক বিষয়ে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন জানান, কারাগারের ভেতরে বন্দীদের ওপর নিপীড়ন বা অবৈধ অর্থ দাবির কোনো সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে অথবা তদন্তে সত্যতা মিললে অভিযুক্ত কারারক্ষীর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেইসবুকে আমরা

Archive Calendar

Su Mo Tu We Th Fr Sa