
গাজীপুর মহানগরীর ব্যস্ততম বিআরটিএ সড়ক ও সংলগ্ন নির্মাণাধীন ফুটওভারব্রীজ এলাকায় ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য আশ'ঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সন্ধ্যার অন্ধকার নামার পর থেকেই এই এলাকায় চলাচলকারী পথচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে গভীর রাত পর্যন্ত নিরাপত্তাহীনতার কারণে সাধারণ মানুষ এখন একা চলাচল করতে ভয় পাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র প্রকাশ্যেই পথচারীদের গতিরোধ করে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নিচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ফুটওভারব্রীজ এবং এর আশপাশের নির্জন স্থানে কিছু যুবক দলবদ্ধভাবে অবস্থান নেয়। নির্জনতার সুযোগ বুঝে তারা একা পথচারীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ভুক্তভোগীদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে ছিনতাইকারীরা ধারালো অ'স্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখায় এবং বাধা দিলে র'ক্তা'ক্ত জখম করতেও দ্বিধাবোধ করে না। এই এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে ইতিপূর্বে মৃ'ত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে। সর্বশেষ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই অসমাপ্ত ফুটওভারব্রীজের শ্যাফট থেকে এক ব্যক্তির অর্ধ-গলিত মর‘দেহ উ‘দ্ধার করে পুলিশ, যা জনমনে ভীতির সঞ্চার করেছে।
এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, পর্যাপ্ত পুলিশি টহল না থাকায় অপরাধীরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। একের পর এক ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের দমনে দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নিয়মিত পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হ্রাস পাবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, ছিনতাই প্রতিরোধে ইতোমধ্যে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হলে ভুক্তভোগীদের দ্রুত সংশ্লি‘ষ্ট থানার ওসির কাছে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ করে মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত মহাসড়ক ও ফিডার রোডগুলোতে টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ রফিকুল ইসলাম, জি পি গ ২১/১, মহাখালী স্কুল রোড, বনানী, গুলশান ১২১২ ,ঢাকা। ফোন -০১৭১১৯৮৫৮৩৫, বার্তা ও বিজ্ঞাপন-০১৭১৩৪৭৬৯৭০, ইমেইল-sottounmochon75@gmail.com
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।